ইতালির ভিসা প্রাপ্তিতে জটিলতা সমাধানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা। আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে এই সমস্যা নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। নইলে রেমিট্যান্স শাট-ডাউন ও আমরণ অবস্থান কর্মসূচির মতো কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
আজ রোববার (১৬ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ইতালির ভিসা প্রত্যাশীরা।
ভুক্তভোগী ইতালি ভিসা প্রত্যাশী রিয়াজ হোসেন বলেন, ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত ভিসা আটকে আছে। এলোমেলোভাবে ভিসা ডেলিভারি দিচ্ছে দূতাবাস। আমরা এর শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই।
বাংলাদেশের প্রবাসী কমিউনিটির এ দুঃসময়ে সহযোগিতা করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমস্যা সমাধানে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে রেমিট্যান্স শাট-ডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করবে প্রবাসীরা। আমরা লক্ষাধিক ভুক্তভোগী এবং তাদের পরিবার নিয়ে আমরণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।
সংবাদ সম্মেলনে দুই দফা দাবি জানিয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন, প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে ইতালি রাষ্ট্রদূতকে আমন্ত্রণ জানাতে হবে। তাকে অনুরোধ করতে হবে যেনো এক মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে যাচাই সম্পন্ন করে সঠিক ওয়ার্ক পার্মিটে ভিসা দেয় এবং জাল ভিসা বাতিল করে। এটি রাষ্ট্রদূতকে প্রেস ব্রিফিং করে নিশ্চিত করতে হবে।
লিখিত বক্তব্যে ভিসা প্রত্যাশীরা বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, যেকোনো কর্মসূচি পালনের আগে আপনাকে সমস্যার কথাগুলো এবং দাবিগুলো জানাতে, সেগুলো যদি যৌক্তিক দাবি হয়, আর সেই দাবি পূরণ না করলে তখন আন্দোলন করতে। আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না করলে আমরা প্রবাসী ভাইদের নিয়ে এমন ভয়ংকর কর্মসূচি পালন করব যার প্রভাব দেশের অর্থনীতির ওপর পড়বে।
বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে কখনোই এমন পদক্ষেপ চান না উল্লেখ করে তারা বলেন, যদি আমাদের বাধ্য করা হয় তাহলে সেই কর্মসূচিতে সহযোগিতা করবে আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা। কর্মসূচির ভয়াবহতা কি হতে পারে তা ২৪-এর গণআন্দোলনের স্বৈরাচার সরকারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।