কুড়িগ্রামে সার লুটের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেককে প্রধান করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ডিলারের গুদাম থেকে সার লুটের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই ঘটনায় অধিকতর তদন্তে বিসিআইসির একটি কমিটিও মাঠে কাজ করছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেককে প্রধান করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গতকাল সকাল ১১টার দিকে শিলখুড়ি ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার তাইফুর রহমান মুকুলের গুদামের গেট ও বেড়া ভেঙে ২০২ বস্তা ইউরিয়া ও ২৩ বস্তা পটাশ সার নিয়ে যান বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। এর মধ্যে ১০৭ বস্তা ইউরিয়া সার ফেরত দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় রোববার রাতে ডিলার তাইফুর রহমান মুকুল ভূরুঙ্গামারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

কৃষকদের অভিযোগ, তারা এক সপ্তাহ ধরে ডিলারের কাছে ঘুরেও সার পাচ্ছিলেন না। চার কিস্তিতে গুদামে ১ হাজার ৩৬০ বস্তা সার তোলার কথা থাকলেও সেখানে পাওয়া যায় মাত্র ৩৪০ বস্তা।

কৃষকরা জানান, আমন ধানের জমিতে এসময় সার প্রয়োগ জরুরি। কিন্তু টাকা দিয়েও প্রয়োজনীয় সার না পাওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে গুদাম থেকে সার নিয়ে যান।

তদন্ত কমিটির প্রধান আমিনুল হক তারেক বলেন, ডিলারের গুদাম থেকে কৃষকদের সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত করা হয়েছে। কৃষক, ডিলার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়া হবে।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব বলেন, পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও