সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে কীর্তনখোলাসহ বরিশালের নয়টি নদীর পানি বেড়েছে।
গতকাল বিপৎসামীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল এসব নদীর পানি।
এতে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে বরিশাল নগরীতে।
ডুবে যায় নগরীর রাস্তাঘাট ও বসতঘর।
গতকাল বিকালের মধ্যে নগরীর রসুলপুর ভাটিখানা, সাগরদী, ধান গবেষণা রোড, জিয়ানগর, ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, স্টেডিয়াম কলোনি, সদর রোড, সদর উপজেলার চরবাড়িয়া, লামছড়িসহ বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, কীর্তনখোলা, নয়াভাঙ্গুলী, তেঁতুলিয়া, সুরমা-মেঘনার মিলিত প্রবাহ, কচা, বিষখালী, বুড়িশ্বর-পায়রা নদীর মিলিত প্রবাহ এবং বরগুনায় বিষখালী নদীর পানি বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সাগরে লঘুচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে বরিশাল অঞ্চলে নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম সরকার জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও অমাবস্যার কারণে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপত্সীমা অতিক্রম করেছে।
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক মো. মাছুদ রানা রুবেল জানান, উড়িষ্যা উপকূলের অদূরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তত্সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের সৃষ্টি হয়েছে।
এর প্রভাবে বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে।
দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
ফলে পায়রা বন্দর, মোংলা বন্দর ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর ও বরিশাল অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।