আমার এলাকায় ওয়াজ-কীর্তন হবে, বাউল গানও হবে: রুমিন ফারহানা

রুমিন ফারহানা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আমরা দেখেছি, কীভাবে একটার পর একটা মাজার ভাঙা হয়েছে, বাউল গানের আসরে বাধা দেয়া হয়েছে। বাউল গান যারা করে, তাদের কীভাবে হেনস্তা করে জেলে দেয়া হয়েছে আমরা এগুলো দেখেছি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আমার এলাকায় ওয়াজ হবে, কীর্তন হবে। বাউল গানও হবে। মাজার সংস্কৃতিতে বাধা মেনে নেয়া হবে না।

গতকাল রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দগরীসার মোড়ে আধ্যাত্মিক সাধক আব্দুল কাদির শাহ (রহ) ৫৮তম স্বরণোউৎসব ও বার্ষিক ওরস উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে আবদুল কাদির শাহ পাঠাগার। এতে সভাপতিত্ব করেন পাঠাগারের উপদেষ্টা আতাউর রহমান বাবুল।

রুমিন ফারহানা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আমরা দেখেছি, কীভাবে একটার পর একটা মাজার ভাঙা হয়েছে, বাউল গানের আসরে বাধা দেয়া হয়েছে। বাউল গান যারা করে, তাদের কীভাবে হেনস্তা করে জেলে দেয়া হয়েছে আমরা এগুলো দেখেছি।

তিনি বলেন, আমি জানি না আর কোনো রাজনীতিবিদ প্রতিবাদ করেছে কি-না। তবে আমি সংখ্যা ধরে ধরে প্রতিটা মাজার ভাঙার প্রতিবাদ করেছি। ঈদুল ফিতরের একদিন পরেও সিলেটে এরকম বাউল গানের আসরে ভাংচুর করা হয়েছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমি যতদিন এই এলাকার দায়িত্বে থাকব, আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে, কীর্তন যেমন হবে বাউল গানও হবে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সৃষ্টি ও সংস্কৃতি লালন পালন করে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের। আমাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মকে জানানোর দায়িত্বও আমাদের। যারা বাউল গান ও মাজারের সঙ্গে যুক্ত তারা কিন্তু আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ।

আরও