ফায়ারিং অনুশীলনে নিহত সেনাসদস্য রিফাত মায়ের কবরের পাশে সমাহিত

আজ সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে রিফাতের মরদেহ প্রথমে রাজশাহী সেনানিবাসে নেয়া হয়। পরে সড়কপথে মরদেহ তার জন্মস্থান পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের বিন্দারামপুর গ্রামে নেয়া হয়।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনায় নিহত সেনাসদস্য তাসনিম রিফাতের মরদেহ রাজশাহীর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর পর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বাদ যোহর জানাজার নামাজ শেষে পরিবারের সদস্য, স্বজন ও হাজারো গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

আজ সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে রিফাতের মরদেহ প্রথমে রাজশাহী সেনানিবাসে নেয়া হয়। পরে সড়কপথে মরদেহ তার জন্মস্থান পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের বিন্দারামপুর গ্রামে নেয়া হয়।

মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও গ্রামবাসীদের মধ্যে শোকের মাতম শুরু হয়। সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পরিবারের সদস্য, স্বজন ও হাজারো গ্রামবাসী জানাজার নামাজে অংশ নেন। পরে সামরিক মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে রিফাতকে দাফন করা হয়।

তিন বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে রিফাতের মা মারা যান। এবার মাত্র ২৮ বছর বয়সী কর্মক্ষম ছেলেকে হারিয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছেন তার বাবা আসাদুল ইসলাম। মৃত্যুর সময় রিফাত স্ত্রী ও আড়াই বছর বয়সী এক মেয়ে শিশু রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিং অনুশীলনের সময় দুর্ঘটনাবশত ট্যাংকের ভেতরে একটি গোলা বিস্ফোরিত হয়। এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মড কোরের ১৫ স্বতন্ত্র সাঁজোয়া স্কোয়াড্রনের সদস্য সৈনিক তাসনিম রিফাতসহ দুই সেনাসদস্য ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

আরও