টানা আট দিন বন্ধ থাকার পর আজ রোববার বিকাল ৪টায় ভারত থেকে ৪০ টন ওজনের গমবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে গম আমদানি শুরু হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারত অভ্যন্তরে এক হাজার গমবাহী ট্রাক আটকা রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট।
ভারতের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ওরিয়েন্ট ইন্টারন্যাশনালের কাছ থেকে এই ৪০ টন গম আমদানি করেছে হিলির সায়রাম ইন্টারন্যাশনাল।
নিজ দেশে গমের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ১৩ মে গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। এর ফলে পরদিন সকাল থেকে বন্দর দিয়ে গম আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। যদিও পরে আগের টেন্ডার হওয়া গম রফতানি অব্যাহত রাখায় বিকেল থেকে ফের গম আমদানি শুরু হয়।
তিনি বলেন, বর্তমানে আগের টেন্ডার করা গম শেষ হওয়ায় বন্দর দিয়ে কয়েকদিন ধরে গম আমদানি বন্ধ রয়েছে। পুরনোর এলসির গত রফতানির আশ্বাস দিলেও সেই গম রফতানি করেনি ভারত। এছাড়া দীর্ঘদিন ট্রাকে আটকা থাকায় পণ্যের মান নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, এলসি করার সময় ডলারের মূল্য কম থাকলেও তা দিন দিন বাড়ছে। ফলে গমের বিল ছাড়তে আমাদের বাড়তি অর্থ গুণতে হবে।
ভারতীয় সিআ্যন্ডএফ এজেন্ট অনিল সরকার বলেন, ১৩ মে থেকে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বন্দর দিয়ে গম রফতানি বন্ধ রয়েছে। এতে করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রায় এক হাজার গমবাহী ট্রাক আটকা পড়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক কর্তৃপক্ষ ডিরেক্টর জেনারেল অব ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) ১২ মে’র মধ্যে হওয়া এলসির সুইফট ওই দিনের মধ্যে ভারতে পৌঁছেছে সেগুলোর গম রফতানির নির্দেশনা দিয়েছে। তারা যাদেরকে আরসি ইস্যু করছে সেই আদেশের কপি আজ কাস্টমসে আসায় গম রফতানি শুরু হয়েছে। এর বিপরীতে রফতানিকৃত গমের পরিমাণ খুবই কম হবে। বাকি এলসিগুলোর বিষয়ে আদেশের জন্য রফতানিকারকরা দিল্লিতে যাবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে। বৈঠকে যা ফলাফল আসবে সেই মোতাবেক বাকি এলসিগুলোর বিপরীতে গম রফতানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে সর্বশেষ গত ২০ মে দুটি ট্রাকে ৭৪ টন গম আমদানি হয়েছিল।