মির্জা ফখরুল

প্রশাসনের কর্তৃত্ব না থাকায় ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাই সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান, এসব অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশজুড়ে ভয়াবহভাবে বেড়েছে ধর্ষণ। তবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিয়মিতভাবে এমন ঘটনা ঘটছে যা অনেকেই ভয়ে কিংবা মানসম্মানের কারণে প্রকাশ করেন না। বিভিন্ন বয়সী নারীরা আক্রান্ত হচ্ছেন, বাদ পড়ছে না একরত্তি শিশুও। প্রশাসনের কর্তৃত্ব না থাকায় ধর্ষণের ঘটনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে এবং এতে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় সুবর্ণচরে বিএনপি সমর্থিত এক গৃহবধু ধানের শীষে ভোট দেয়ার কারণে গভীর রাতে তার বাড়িতে ঢুকে সন্ত্রাসীরা ধর্ষণ করে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন বিএনপি মহাসচিব।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের অনৈতিক শাসনেরই ধারাবাহিকতা। তাই এখন এ প্রথা ভেঙে রাষ্ট্রকে একটি নৈতিক জায়গায় আনতে হবে। একটি বৈধ সংসদে ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে শাস্তির আইন পাস করতে হবে। দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তাই সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান, এসব অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। দেশে এখন যা চলছে তা মেনে নেয়া সম্ভব নয়। সমাজের অস্থিরতার এ সময়ে শিকার হচ্ছে নারী ও শিশুরা। আমি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

বিএনপি মহাসচিব বিবৃতিতে ধর্ষণের শিকার হয়ে মারা যাওয়া শিশুটির বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক বিহবল পরিবারের সদস্য, নিকটজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আরও