এ পথে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকায় কোনো দীর্ঘ অপেক্ষা বা ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে না যাত্রীদের।
সরজমিনে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়াঘাটের ৩, ৪ ও ৭ নম্বর ঘাটে দেখা যায়, পাটুরিয়াঘাট থেকে ছেড়ে আসা ফেরি দৌলতদিয়াঘাটে ভেড়ার সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রী ও যানবাহন পরিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি ফেরিঘাটে দূরপাল্লার বাসগুলো আসার পর বাস থেকে নেমে যাত্রীরা পায়ে হেঁটে ফেরিতে উঠছেন। একই চিত্র দেখা গেছে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটেও। সেখানে মুহূর্তেই যাত্রীতে পরিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে লঞ্চগুলো। তবে লঞ্চে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করতে দেখা গেছে।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এ বছর ভোগান্তিহীন ঈদযাত্রা উপহার দিতে পূর্ব থেকেই প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ১৭টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ দিয়ে পারাপার করানো হচ্ছে।’