এ সময় স্থানীয় পেয়ারাচাষী ও বাগানমালিকদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তাদের কাছ থেকে পেয়ারার চাষ, উৎপাদন ও বাজারজাত সম্পর্কে জানেন। ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘ভীমরুলির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভাসমান পেয়ারাবাজার তাকে মুগ্ধ করেছে। বাজারের কর্মচাঞ্চল্য, কৃষকদের পরিশ্রম ও উৎপাদিত পেয়ারার গুণগত মান তাকে আকৃষ্ট করেছে।’
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পেয়ারাবাজার ঘুরে দেখার কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ। ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘ভীমরুলির ভাসমান বাজারে নৌকায় ঘুরে আর পেয়ারার স্বাদ নিয়ে চমৎকার সময় কাটিয়েছেন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।’
প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য, পানির ওপর ভাসমান বাজার ও স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা দেখে এ অঞ্চলকে বাংলাদেশের অসাধারণ প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূতের এ পরিদর্শন স্থানীয় পেয়ারাচাষীদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করেছে বলে জানিয়েছেন বাগানমালিকরা।
নৌপথে লঞ্চে গতকাল সকালে বরিশালে পৌঁছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। গতকাল মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পেজে বরিশালে আসার কয়েকটি ছবি প্রকাশ করা হয়। ছবিতে তাকে লঞ্চের ডেকে বসে নৌপথের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেখা যায়। ছবিগুলোর ক্যাপশনে রাষ্ট্রদূতের বরাতে লেখা ছিল, ‘নদীপথে লঞ্চে করে অপরূপ জলপথের এ জনপদ ঘুরে দেখছি। বরিশালে এসে ভালো লাগছে!’
এর আগে ২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার ভীমরুলির ভাসমান পেয়ারাবাজার পরিদর্শন করেছিলেন।