আখাউড়া স্থলবন্দর পরিদর্শনে জাতিসংঘ প্রতিনিধি দল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরের অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিশন (এসকেপ)। ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি গতকাল আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে এ বন্দরে আসে। এরপর বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তারা বৈঠকে বসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরের অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক বিষয়ক কমিশন (এসকেপ)। ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি গতকাল আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে এ বন্দরে আসে। এরপর বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তারা বৈঠকে বসেন।

বৈঠকে জাতিসংঘ প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেন এসকেপের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের প্রধান মিকাকো তানাড়া। বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া-১) আরিফুর রহমান এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিসের (বিআইআইএসএস) গবেষণা পরিচালক মাহফুজ কবির।

জাতিসংঘের প্রতিনিধি দলটি স্থল শুল্কস্টেশন ভবন, স্থলবন্দরের অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিদর্শন করে। এরপর স্থলবন্দরের সম্মেলন কক্ষে বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ, আমদানি-রফতানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে। তাদের আলোচনায় বন্দরের অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও বাণিজ্যের প্রতিবন্ধকতার কিছু বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকের আলোচ্য বিষয় নিয়ে জানতে চাইলে বিআইআইএসএসের গবেষণা পরিচালক মাহফুজ কবির বলেন, ‘বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটানের মধ্যে সড়ক ও অন্যান্য পথে যে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। মূলত সেটি দেখার জন্যই প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশে এসেছে। এছাড়া বন্দরটি দিয়ে কীভাবে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য বাড়ানো যায় সেটিও বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তাদের কিছু প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেছেন আলোচনায়। তবে সামগ্রিকভাবে বৈঠকটি ফলপ্রসূ হয়েছে।’

আখাউড়া স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিষিদ্ধ পণ্য ছাড়া সব পণ্য আমদানিরই সুযোগ চেয়েছি। তাছাড়া এনবিআর চেয়ারম্যান বর্তমানে যে সাতটি পণ্য নিয়ে কাজ করছেন, সেগুলো আমদানির সুযোগ দিলে বন্দর আবারো চাঙ্গা হবে। এছাড়া বন্দরে ওয়্যার হাউজ, দুটি স্কেল মেশিনসহ যাত্রী টার্মিনাল নির্মাণের দাবি জানিয়েছি।’

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মোহাম্মদ বলেন, ‘বাংলাদেশ কীভাবে আরো লাভবান হতে পারে, এ স্থলবন্দরে কী কী সমস্যা আছে, কী কী বিষয় ওভারকাম করা গেলে এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য আরো সম্প্রসারণ হবে, সে বিষয়গুলো বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’

আরও