এএসপি আনিস হত্যা মামলার ১০ আসামি রিমান্ডে

পুলিশের ৩১তম বিসিএস কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম মাইন্ড এইড হাসপাতালে নিহত হওয়ার মামলায় ১০ জনের সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলাম এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

পুলিশের ৩১তম বিসিএস কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম মাইন্ড এইড হাসপাতালে নিহত হওয়ার মামলায় ১০ জনের সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলাম এ রিমান্ডের আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন মাইন্ড এইডের মার্কেটিং ম্যানেজার আরিফ মাহমুদ জয়, কো-অর্ডিনেটর রেদোয়ান সাব্বির, কিচেন সেফ মাসুদ, ওয়ার্ড বয় জোবায়ের হোসেন, তানিফ মোল্লা, সজীব চৌধুরী, অসীম চন্দ্র পাল, লিটন আহাম্মদ, সাইফুল ইসলাম পলাশ ও ফার্মাসিস্ট তানভীর হাসান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. ফারুক মোল্লা আসামিদের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা মাইন্ড এইড হাসপাতালের বাবুর্চি, ওয়ার্ড বয়, মার্কেটিং অফিসার, কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কর্মরত। হাসপাতালটির মালিক ও পরিচালক কমিটির সদস্য মুহাম্মদ নিয়াজ মোর্শেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাখাওয়াত হোসেন, সাজ্জাদ আমিন ও মোছা. ফাতেমা খাতুন ময়না অনুমোদনহীন হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার মাধ্যমে চিকিৎসার নামে অবৈধ অর্থ উপার্জন করে আসছিলেন। ৯ নভেম্বর আনিসুল করিমকে উন্নত চিকিৎসার আশায় পরিবার হাসপাতালে নিয়ে আসে। তখন মানসিক চিকিৎসা দিতে পারেন এমন কোনো ডাক্তার হাসপাতালে কর্তব্যরত ছিলেন না। আসামিরা চিকিৎসা দেয়ার অজুহাতে ভিকটিমকে জোরপূর্বক বলপ্রয়োগ করে হাসপাতালের দোতলায় স্থাপিত একটি অবজারভেশন কক্ষে নিয়ে যান। কক্ষে প্রবেশের সময় গ্রেফতার ১০ আসামি আনিসুল করিমকে মারতে মারতে অবজারভেশন রুমে ঢোকান। আসামিদের অমানুষিক নির্যাতনে আনিসুল করিমের মৃত্যু ঘটে।

আরও