নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইস্পাহানী এলাকায় দুই কিশোর গ্রুপের সংঘর্ষের জেরে আত্মরক্ষার্থে নদীতে ঝাঁপ দিলে দুই কিশোর নিখোঁজ হয়।
গত সোমবার রাতে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলো মিহাদ ও জিসান।
এ ঘটনায় নিহত জিসানের বাবা ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো সাতজনকে আসামি করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গত সোমবার বিকালে বন্দরের বিএম ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী জিসানকে তার খালাতো ভাই ও বন্ধু বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়।
শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বতীরে ইস্পাহানী ঘাট এলাকায় বিকালে স্থানীয় শামীম ও শাকিল নামে দুই কিশোর গ্যাং গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ সময় দুপক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় সেখানে উপস্থিত মিহাদ ও জিসান ভয়ে আত্মরক্ষার্থে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঝাঁপ দেয়।
রাতে তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করে জানতে পারেন সংঘর্ষ ও নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে আর উঠতে পারেনি জিসান ও মিহাদ।
পরে রাত ১১টায় নদীতে জাল ফেলে জিসান ও মিহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে নিহত জিসানের বাবা বন্দর প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজিমউদ্দিন বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো সাতজন মোট ২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ মামলার এজাহারভুক্ত ছয় আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো মোক্তার হোসেন, আলী আহমেদ, কাসেম, আলবি, আনোয়ার হোসেন ও শিপলু।