প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবাদী সংস্থা ও ব্যক্তিকে জাতীয়ভাবে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন’ দেয়ার জন্য দুই ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়েছে। আগামী ৫ জুন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বৃক্ষমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এই পদক তুলে দেয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন-২০২১ প্রদানের লক্ষ্যে মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বন্যপ্রাণী উপদেষ্টা বোর্ডের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বন্যপ্রাণী বিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণা ক্যাটাগরিতে প্রয়াত বন্যপ্রাণী গবেষক ডক্টর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান খান এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিবেদিত প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়ার টিম ফর এনার্জি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (তীর) পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে। এছাড়াও, বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, খ্যাতিমান গবেষক, বিজ্ঞানী, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবাদী ব্যক্তি ও গণমাধ্যম কর্মী/ব্যক্তিত্ব ক্যাটাগরিতে চুয়াডাঙ্গা জেলার বখতিয়ার হামিদ মনোনীত হয়েছেন।
সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, বন্যপ্রাণী অবলুপ্তির ফলে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে এবং প্রতিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টি হচ্ছে। এজন্য বর্তমান সরকার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আন্তরিক ভাবে কাজ করছে। মন্ত্রী এ কাজে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপ-মন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, সচিব মো. মোস্তফা কামাল, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন), মো. মিজানুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব কেয়া খান, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডক্টর আব্দুল হামিদ, বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী এবং আইইউসিএন এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ রাকিবুল আমীনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন’ এর প্রতিটি শ্রেণিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে ২ ভরি (২৩.৩২ গ্রাম) ওজনের স্বর্ণের বাজারমূল্যের সমপরিমাণ নগদ অর্থ ও পঞ্চাশ হাজার টাকার একাউন্ট পে-ই চেক এবং সনদপত্র প্রদান করা হবে।