অস্ত্রের মামলায় কর্নেলসহ চার জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অবৈধ অস্ত্রের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল শহিদ উদ্দিন চৌধুরীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

অবৈধ অস্ত্রের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল শহিদ উদ্দিন চৌধুরীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

গতকাল ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য তিনজন হলেন কর্নেল শহিদ উদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী ফারজানা আনজুম খান, সৈয়দ আকিদুল আলী ও খোরশেদ আলম পাটওয়ারী।

আকিদুল আলী ও খোরশেদ আলম কারাগারে রয়েছেন। রায় ঘোষণার আগে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কর্নেল শহিদ উদ্দিন চৌধুরী ও তার স্ত্রী ফারজানা আনজুম খান পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ সাজা পরোয়ানা ইস্যু করেছেন। মামলার আরেক আসামি জহুরুল হক খন্দকার মারা যাওয়ায় তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মাদ সালাহউদ্দিন হাওলাদার রায়ের এসব তথ্য জানান।

মামলায় বলা হয়, গোপন সংবাদে পুলিশ জানতে পারে শহিদ উদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রীর মালিকানাধীন ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন বারিধারা ডিওএইচএস এর ২ নং রোডের ১৮৪ নং বাসা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ পরিচালনা করছে। গত বছর ১৭ জানুয়ারি ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ রাউন্ড গুলিভর্তি ম্যাগাজিনসহ একটি পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলিভর্তি ম্যাগাজিনসহ আরেকটি পিস্তল, একটি শর্টগান, দুই রাউন্ড কার্তুজ এবং শর্টগানের দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।

ওই ঘটনায় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের ফেইক কারেন্সি নোট টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নি.) বিপ্লব কিশোর শীল ওইদিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে একই বিভাগের উপপুলিশ পরিদর্শক জহুরুল হক পাঁচজনের বিরুদ্ধে গত বছরের ৪ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। গত বছর ১৩ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত চার্জশিটভুক্ত ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

আরও