ঢাকায় খুন হওয়া ব্যবসায়ীর হত্যাকারী তার বন্ধু, দাবি পরিবারের

দুই মাস আগে মালয়েশিয়া থেকে ফিরেছেন জরেজ মিয়া। তিনি সদর উপজেলার শ্যামপুরের বাসিন্দা। জাপান যাওয়ার জন্য ৮ লাখ টাকা ধার চান বন্ধু আশরাফুলের কাছে। সেই টাকা হাতে পেতেই দুজন ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পরদিন আশরাফুলের পরিবারের লোকজন ফোন দিলে তার ফোনটি রিসিভ করেন জরেজ মিয়া। জানান, আশরাফুল তাকে ফোন দিয়ে টাকা কালেকশন করতে চট্টগ্রামে গেছেন।

ঢাকায় নৃশংসভাবে খুন হওয়া কাঁচামাল ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। তিনদিন আগে জরেজ মিয়া (৪১) নামের বন্ধুর সঙ্গে ঢাকায় এসে খুন হন আশরাফুল। পরিবারের দাবি, আর্থিক লেনদেনের কারণে তাকে হত্যা করেছে বন্ধু জরেজ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আশরাফুল হক রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। হিলি স্থলবন্দর থেকে কাঁচামাল কিনে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাইকারি বিক্রি করতেন। গত মঙ্গলবার বন্ধু জরেজসহ ব্যবসার কাজে ঢাকায় পৌঁছান আশরাফুল। বুধবার বিকালে সবশেষ স্ত্রী লাকী বেগমের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। এরপর থেকে আর যোগাযোগ হয়নি। বৃহস্পতিবার বদরগঞ্জ থানায় জিডি করতে গিয়ে জানতে পারেন, ঢাকায় আশরাফুল হকের খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আশরাফুলের স্ত্রী লাকি বেগম বলেন, জরেজ মালয়েশিয়া থেকে আসার পর সব সময় আমার স্বামীর সঙ্গে থাকতেন। তিনি স্বামীর ব্যবসার সব তথ্য জানতেন। টাকার জন্য আমার স্বামীকে এমন নিমর্মভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।

জানা গেছে, দুই মাস আগে মালয়েশিয়া থেকে ফিরেছেন জরেজ মিয়া। তিনি সদর উপজেলার শ্যামপুরের বাসিন্দা। জাপান যাওয়ার জন্য ৮ লাখ টাকা ধার চান বন্ধু আশরাফুলের কাছে। সেই টাকা হাতে পেতেই দুজন ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পরদিন আশরাফুলের পরিবারের লোকজন ফোন দিলে তার ফোনটি রিসিভ করেন জরেজ মিয়া। জানান, আশরাফুল তাকে ফোন দিয়ে টাকা কালেকশন করতে চট্টগ্রামে গেছেন।

এ বিষয়ে বদরগঞ্জ থানার ওসি এ কে এম আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, পরিবারের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা ঢাকার ওসি শাহবাগ ও ডিসি রমনাকে সরবরাহ করা হচ্ছে। তারা এসব তথ্য নিয়ে কাজ করছে।

আরও