সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

উজানে ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জে কয়েক দিন ধরেই যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

উজানে ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জে কয়েক দিন ধরেই যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এর সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়াল, হুড়াসাগর, ফুলজোড়, করতোয়া ও ইছামতীসহ অভ্যন্তরীণ সব নদ-নদীর পানিও। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নদীর চরাঞ্চল ও বিলের নিম্নভূমি প্লাবিত হয়েছে। আবাদ করা শীতকালীন সবজি নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কৃষক। পানি বৃদ্ধি পেলেও বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষ।

পাউবোর তথ্য বলছে, গতকাল সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫ সেন্টিমিটার। একই সময়ে কাজিপুর পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫ সেন্টিমিটার। গত ছয় দিনে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৩ ও কাজিপুর পয়েন্টে বৃদ্ধি পেয়েছে ৭৭ সেন্টিমিটার। তবে পানি বৃদ্ধি পেলেও সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৭ এবং কাজিপুর পয়েন্টে ১০০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পাউবোর (পুরো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে যমুনার পানি বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে যমুনার তীরবর্তী চরাঞ্চলের কিছু নিম্নভূমি প্লাবিত হয়েছে। পানি বৃদ্ধি আরো দুই-তিনদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে বিপৎসীমা অতিক্রম করা এবং বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই।

এদিকে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় যমুনা নদীর চরাঞ্চল ও বিলের নিম্নভূমিতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। চারদিন ধরে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় চরাঞ্চলের শীতকালীন সবজির আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

সদর উপজেলার মেছড়া ইউনিয়নের ফরহাদ ও আল-আমিনসহ কয়েকজন কৃষক বলেন, ‘আমরা শীতকালীন সবজির আবাদ শুরু করেছি। সবজির চারা বড় হতে শুরু করেছে। এ অবস্থায় যমুনার পানি বাড়ছে। শঙ্কায় রয়েছি, পানি আরো বাড়লে সবজির ব্যাপক ক্ষতি হবে।’

আরও