জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
ফরহাদ হোসেন বলেছেন, আগামী দিনে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে যারা নতুন নিয়োগ পাবেন, তাদের মুজিবনগরে কয়েকদিনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
প্রশিক্ষণ শেষে স্বাধীনতার সূতিকাগার খ্যাত মুজিবনগরের পবিত্র ভূমিতে শপথ নিয়ে
ক্ষুধা, দুর্নীতি ও প্রতিহিংসামুক্ত এবং উন্নয়নশীল দেশ গড়ে তুলতে
তারা কাজে যোগ দেবেন।
সেনাবাহিনী, বিজিবি,
নৌবাহিনী,
পুলিশ ও সির্ভিল সার্ভিসের সব কর্মকর্তা এ
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবেন।
গতকাল দুপুরে মুজিবনগর
বিদ্যালয় মাঠে দর্শনা-মুজিবনগর আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তুর
স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মেহেরপুর জেলা প্রশাসক ড. মুনসুর আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, পুলিশ সুপার রাফিউল আলম, কুষ্টিয়ার তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী (সড়ক সার্কেল)
মোহাম্মদ মাসুদ করিম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম শাহিন এবং
বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের জেলা কমিটির সভাপতি হাসানুজামান মালেক।
অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা,
রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত
ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবিত থাকাকালীন তিনি মুজিবনগরকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর স্বাধীনতাবিরোধীরা ক্ষমতায় এলে মুজিবনগরের গুরুত্ব কমে যায়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আবার ক্ষমতায় আসার পর মুজিবনগরকে ঘিরে নানা প্রকল্প হাতে নেয়। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট দেশ ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সরকার ক্ষমতায় এলে মুজিবনগরের উন্নয়ন আবারো থমকে যায়।
আবারো আওয়ামী লীগ তথা
মুক্তিযুদ্ধের সরকার ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে বিরাট
প্রকল্প হাতে নেয়। ফলে দেশের মানুষ তো বটে সারা বিশ্বের মানুষ এখানে আসবে। তারা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে পারবে।