অতীত নিয়ে এত বেশি চর্চা ভবিষ্যতকে বাধাগ্রস্ত করেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরবগাঁথা, তা নিয়ে আলোচনা-গবেষণা হয়েছে। কিন্তু আলোচনা গবেষণার নামে এ গৌরবকে খাটো করা যাবে না।

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অতীত নিয়ে সবসময় যারা পড়ে থাকে তাদের এক চোখ অন্ধ। আবার যদি আমরা অতীত ভুলে যাই, তাইলে আমাদের দুই চোখ অন্ধ। সুতারাং অতীতকে একদম ভুলে যাওয়া চলবে না। কিন্তু নিকট অতীতেও আমরা দেখেছি, অতীত নিয়ে এত বেশি চর্চা হয়েছে সেটা আমাদের সামনে যে ভবিষ্যৎ রয়েছে তাকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘‌স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরবগাঁথা, তা নিয়ে আলোচনা-গবেষণা হয়েছে। কিন্তু আলোচনা গবেষণার নামে এ গৌরবকে খাটো করা যাবে না।

এ সময় সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর দেশ গড়ে তোলা সম্ভব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক- সমাজের একটি অংশ নয় বরং আমরা সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে আমরা ভালো থাকব। আসুন, আমরা প্রত্যেকে একসঙ্গে সহাবস্থানের মাধ্যমে খারাপকে দূরে ঠেলে দিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করব। এই হোক আমাদের আজকের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার প্রত্যাশা, প্রতিজ্ঞা।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আপনাদেরই সরকার, বর্তমানের গণতান্ত্রিক সরকার এদেশের মানুষের নির্বাচিত সরকার, বর্তমানের গণতান্ত্রিক সরকার এদেশের মানুষের প্রতিষ্ঠিত সরকার। এই সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করছি। প্রতিনিয়ত এই সরকার অক্লান্ত পরিশ্রম করছে, চেষ্টা করে যাচ্ছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সঞ্চালনা করেন দলটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

আলোচনা সভায় আরো ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

আরও