ঢাকা-৭ সংসদীয় আসনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করার আহ্বানের প্রেক্ষিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজধানীর বংশাল, কোতয়ালী, চকবাজার, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
আজ রোববার (৩ মে) এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের দুইটি আভিযানিক টিম গঠন করা হয়। ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের মোট ৭টি সার্কেলের সকল কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মতিঝিল সার্কেলের পরিদর্শক মুহম্মদ সাজেদুল আলম বংশাল ও কোতোয়ালি থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকেন। সার্কেলের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান চলাকালে বংশাল ও কোতয়ালী থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে মো. সজিব হোসেন (২৮), মো. নুর গাজী (৩৫), মো. রুবেল মোল্লা (৩৫), মো. রতন (৩০), মো. হাবিব (৪৮), মো. আনোয়ার (৩০) ও মো. মিরাজ উদ্দিনকে (৩৫) গাঁজা সেবন ও বহনের অভিযোগে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে মোট ৭০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া, চকবাজার, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় লালবাগ সার্কেলের পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পৃথক অভিযানে মো. কালাম (৩৫), মো. সেন্টু (৫২), আব্দুল শুক্কুর (৪২), মো. সেলিম (৩৬), মো. আলামিন (২১) ও মো. আলামিন (৩৫) নামীয় আরো ৬ জনকে আটক করা হয়। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০ গ্রাম করে গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এক্সিকিউটিভ মিলটন বিশ্বাস জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে নিয়মিত ভাবে দিনে ও রাতে মাদক কারবারি দের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করছে। ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্যের অনুরোধের প্রেক্ষিতে তার নির্বাচনী এলাকায় আজকের এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদক নির্মূলে এ ধরনের ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যহত থাকবে।