ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় পার্টির দুবারের সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।
বর্তমানে এ আসনে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আবদুস সাত্তার ভূঁইয়াসহ চার প্রার্থী রয়েছেন। জাতীয় পার্টি ও জাকের পার্টির দুই নেতা এবং আবদুস সাত্তার এখনো প্রচারণায় তেমনভাবে নামেননি। আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার জয়ের পথ পরিষ্কারের জন্যই সরকার বাকি প্রার্থীদের নির্বাচনের মাঠ থেকে দূরে সরাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। গত সোমবার আবদুস সাত্তারকে ডাব প্রতীক ও জিয়াউল হককে সিংহ প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। মঙ্গলবার বিকালে তাদের প্রতীক পরিবর্তন করে আবদুস সাত্তারকে কলার ছড়া ও জিয়াউল হককে নতুন করে আপেল প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জিয়াউল হক মৃধা উল্লেখ করেন, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। জাতীয় পার্টির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান পদে থেকে এ আসন থেকে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে তার উপলব্ধি হয়েছে, আসন্ন উপনির্বাচনে পরবর্তী সংসদীয় মেয়াদকাল জনগণের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য খুব সংক্ষিপ্ত সময়। ভোটারদের যে ওয়াদা ও আশ্বাস দিয়ে ভোট প্রার্থনা করবেন, সংক্ষিপ্ত সময়ে সে ওয়াদা ও আশ্বাস বাস্তবায়ন অত্যন্ত দুরূহ হবে। তাই ১ ফেব্রুয়ারির উপনির্বাচন থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ালেন। সরকার বা দলের চাপ ছিল কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমার ওপর কারো কোনো চাপ নেই।’