এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই প্রকল্প

প্রকল্প দুটির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আধুনিক, গবেষণামুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

অবকাঠামো উন্নয়ন ও গবেষণা সক্ষমতা বাড়াতে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি প্রকল্প ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রোগ্রামিং কমিটির সভায় প্রকল্প দুটিকে এডিপির ‘সবুজ পাতায়’ অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রকল্প দুটির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আধুনিক, গবেষণামুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম প্রকল্পটি হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা। ৪ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও ফিজিক্যাল মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) থেকে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বড় অংকের তহবিল সংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

দ্বিতীয় প্রকল্পটি হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও গবেষণা সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ। এ প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৯ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ও গবেষণাগারের আধুনিকায়ন, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি কেনা এবং বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র ও লিফটসহ আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুযোগ আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পাবে।

পরিকল্পনা কমিশনের সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর প্রকল্প দুটির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন। তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান ভূঁইয়াও প্রয়োজনীয় তথ্য ও যুক্তি উপস্থাপন করেন। উপাচার্যের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়এই গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রকল্প সরকারি অনুমোদন প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপে সফলভাবে জায়গা করে নিয়েছে।

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্বমানের গবেষণাধর্মী বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পথ আরো সুগম হবে।

আরও