তিনি বলছেন, ‘বিএনপি শুধু সেই অধ্যাদেশগুলোকেই আইনে পরিণত করতে চায়, যেগুলোতে তাদের সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা বাড়বে। আর যেসব অধ্যাদেশে জবাবদিহিতার কথা বলা হয়েছে, সেগুলোকে তারা বাতিল করতে চায়।’
বিএনপির কার্যক্রমে ‘স্বৈরাচারের সব লক্ষণ’ দেখতে পাচ্ছেন মন্তব্য করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘১০ এপ্রিলের মধ্যে বিএনপির হুঁশ না ফিরলে তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন এবং এই সংকটময় মুহূর্তে রাজপথে নামলে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জন্য তা ভালো হবে না।’
গতকাল দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির অবস্থান তুলে ধরেন মুখপাত্র।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা বারবার তাদের সংবিধানের কথা বলতে শুনি। সারাক্ষণ সংবিধান সংবিধান শুনতে শুনতে মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। মানুষ এখন বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতেও সংবিধানকে টেনে আনছে। এরপর আমরা দেখলাম যে প্রশাসক নিয়োগ করে তারা সংবিধানের লঙ্ঘন করলেন। এটা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত হুমকি ও এটা সুস্পষ্ট সংবিধানের লঙ্ঘন।’